সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ীমজলিশ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা আটক করে গণধোলাই দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।পরে তার পরিচয় পাওয়া যায় সে শীর্ষ সন্ত্রাস ও ডাকাত দলের সদস্য জন্টু ডাকাত। এ সময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, করে বলেন,
সোনারগাঁওয়ের যতপ্রকার অপকর্ম ঘটনা ঘটে সবকিছুর মাস্টারমাইন্ড ও শেল্টারদাতা র্যাবের সাথে ক্রস ফায়ারে নিহত গিট্টু হৃদয় এর বোন জামাই মাদক সম্রাট ও ডাকাত সরদার রাসেল মিয়া।
এদিকে সোনারগাঁও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাইওয়ে সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে সব তারই বাহিনী মাধ্যমে। বিশেষ করে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা, সাদীপুর, মেঘনা ও আষারিয়াচর এলাকায় রাতদিন এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলার অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, পূর্বে একাধিক হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণ সহ বিভিন্ন অপকর্মের ঘটনার সঙ্গেও এই সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ভয়ের কারণে অনেকেই আইনগত পদক্ষেপ নিতে সাহস পাচ্ছেন না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তাছাড়া, উল্লেখ্য মোগরাপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর আজমবাড়ির চান মিয়ার ছেলে আকাশকে প্রকাশ্যে দিবালোকে তার মায়ের সামনে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে ডাকাত জন্টু, ডাকাত সাকিব সহ আরো একাধিক সংঘবদ্ধ একটি দল।
তাছাড়া, লিটন হত্যা, শাহজাহান, হত্যা,আবু হত্যা সহ একাধিক হত্যাকান্ড ও অপরাধ কর্মকাণ্ডে এই বাহিনী জড়িত। তাদের এই কর্মকাণ্ডের কারনে এলাকাবাসীতে আতংক বিরাজ করছে,তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে ভয় পায়।
বিগত সময় তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গণমাধ্যমকর্মী
এদিকে,সোনারগাঁও থানা প্রশাসন বিষয়টি যথাযথ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে অত্র এলাকাবাসী।